জাতীয়প্রথম পাতাহোম

নতুন নির্বাচন দেয়ার দাবি সুপ্রিম কোর্ট বারের

নতুন নির্বাচন দেয়ার দাবি সুপ্রিম কোর্ট বারের

 

 

সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন বলেছেন, ৩০ ডিসেম্বর দেশে নির্বাচনের নামে ভোট ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। ছিল দিয়ে সমস্ত ভোট ডাকাতি করে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। যে নির্বাচন হয়েছে তা দেশবাসী গ্রহণ করেনি। এই নির্বাচন বাতিল করে আমি নতুন নির্বাচন দেয়া জন্য আবেদন জানাচ্ছি। তিনি বলেন, এক্ষেত্রে আমাদের পাশ্ববর্তী দেশেল সুপ্রিম কোর্ট দায়িত্ব পালন করেছে। আমাদের সুপ্রিম কোর্ট নিরব থাকতে পারে না। আমি আশাকরি এক্ষেত্রে সুপ্রিম কোর্ট তার দায়িত্ব পালন করবে। তিনি আরো বলেন, এই নির্বাচনে গণতন্ত্রের পরাজয় হয়েছে। স্বৈরাচারের জয় হয়েছে।

বুধবার সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন এ অভিযোগ করেন। আইনজীবী সমিতি অডিটোরিয়ামে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন সমিতির সম্পাদক ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন, সহ-সভাপতি ড. মো. গোলাম রহমান ভূঁইয়া, কোষাধ্যক্ষ নাস রিন আক্তার, সদস্য মাহফুজ বিন ইউসুফ, মো. আহসান উল্লাহ, সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি এ বি এম ওয়ালিউর রহমান খান, সাবেক কার্যনির্বাহী সদস্য আইয়ুব আলী আশ্রাফী প্রমুখ।

অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন অভিযোগ করে বলেন, গত ৩০ ডিসেম্বর নির্বাচনের নামে ভোট ডাকাতি হয়েছে। আমরা আগেই বলেছিলাম, দলীয় সরকারের অধীনে কোনও নির্বাচন হবে না। তাহলে জনগণ ভোট দিতে পারবে না। তবুও ঐক্যফ্রন্ট, প্রধানমন্ত্রী ও নির্বাচন কমিশনের কথায় নির্বাচনে এসেছি। কিন্তু আমাদের প্রার্থীর ওপর গুলি করা হয়েছে, এজেন্টদের গ্রেফতার করা হয়েছে। এতে করে সর্বোচ্চ আদালতের আইনজীবীরা নীরব থাকতে পারি না।

জয়নুল আবেদীন বলেন, আমি কয়েকজন প্রার্থীর সঙ্গে কথা বলে জানতে পেরেছি, ৯০ শতাংশ এলাকায় নির্বাচনের আগের রাতে পুলিশ ব্যালট বাক্স ভরাট করেছে, এজেন্টদের গুলি করার ভয় দেখিয়েছে, গ্রেফতার করেছে। এমনকি ভোটের পূর্ব মুহূর্তে এজেন্টদের কেন্দ্র থেকে বের করে দিয়েছে। এমনকি বিভিন্ন এলাকা থেকে আইনজীবীদের গ্রেফতার করা হয়েছে।

সম্পাদক ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেছেন, গত ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে যমুনা টেলিভিশনের ক্যাবল সম্প্রচার বন্ধ এবং খুলনায় দুইজন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে আইসিটি আইনে মামলা হওয়ার ঘটনা নির্বাচন কেমন হয়েছে, তা প্রমাণ করে দিয়েছে।

ব্যারিস্টার খোকন বলেন, এবারের নির্বাচনে আমি নিজেও প্রার্থী ছিলাম। তাই নিজের অভিজ্ঞতা থেকে দেখেছি এটি ছিল নির্বাচনের নামে প্রতারণা। নির্বাচন কমিশন ও সরকার যৌথভাবে জনগণ, সংবিধান, গণতন্ত্র, বাংলাদেশের মানচিত্রের সঙ্গে নির্বাচনের মাধ্যমে প্রতারণা করেছেন।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Close